নারায়ণগঞ্জ বাণী২৪ঃ নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এক গৃহবধূকে যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন করে হত্যার পর আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের।
১১ জুন শুক্রবার উপজেলার আমিরাবাদ বটতালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোনিয়া আক্তার তামান্না (২০) সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের পানাম গাবতলী এলাকার শহিদুল্লার মেয়ে।
নিহতের স্বজনরা জানায়, গত ৮ বছর আগে বন্দর উপজেলার আমিরাবাদ বটতলা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে ফয়সালের (২৩) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠলে তাদের মধ্যে বিবাহ হয়। তাদের এ বিবাহ প্রথমে ফয়সালের পরিবার মেনে না নিলেও পরে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক দিলে মেনে নেয়। তবে কিছুদিন পরই আবারো টাকার জন্য তাদের মেয়েকে নির্যাতন করতে থাকে। গত দুই দিন আগেও তামান্না তার ভাইকে ফোনে জানায় টাকা না দিলে তার শশুর বাড়ির লোকজন তাকে হত্যা করার হুমকি দিয়েছে।
এরই মধ্যে ১২ জুন শুক্রবার এক মানবাধিকার কর্মী তামান্নার বাবার বাড়িতে তার মৃত্যুর খবর জানায়। স্বজনদের অভিযোগ তামান্নাকে হত্যা করে ফেলে রেখে তামান্নার পিতার বাড়িতে খবর না দিয়ে পুলিশ কে খবর দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে চাইছে শশুর বাড়ির লোকজন।
ঘটনাস্থলে যাওয়া বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক হানিফ জানান, সোনিয়ার মৃত্যু খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ খাটের উপর দেখতে পাই। এটা হত্যা না আত্মহত্যা তা সনাক্ত করতে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ, রফিকুল ইসলাম জানান,তামান্নার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার মৃত্যুর ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট যদি হত্যাকান্ড বলে প্রমানিত হয় তবে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।